ধুলো ঝেড়ে, সোঁদা ঘাসে পেতেছি মাদুর ...

সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!

কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] কবি-তা ১৫: বি-রতির এইপারে

তোর ঘাড়ের ওই
ঘন নোনা ঘামের থেকে-
হু হু ঝেঁপে
নাকে পশে কামের ঘেরাণ!
খুব যে আমার অভ্যস্ত ওটা,
বা পরিচিত-চেনা-
তেমনটি নয় বস্তুত

সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] কবি-তা ০৪: পতিত প্রতিবেশ!

তোমার সাথে থাকে জানি অন্য একটি লোক।
একটাই পরিচয় জানি আমি তার-
তোমার সে সুভাগা সহবাসী।
লাখ-কোটির হিসেব জানি না,
জানি- সে যে তুমি-পতি।
পৃথিবীর আর কোনো পরিচয়ে

[হিজরতপূর্ব] কবি-তা ০২: অবান্তর জন্মান্তরে 'প্রজাপতি'

প্রজাদের তো নয়ই,
কারও আমি পতি হইনি কখনও।
ক্ষণজীবী প্রজাপতি তবু হয়েছিলাম-
নান্দনিক এক নারী যখন
নীরব চেয়েছিল যুক্তিহীন মায়ামুগ্ধতায়,
ছুতোহীন ছুঁয়েছিল আঙুলের ডগা,