ধুলো ঝেড়ে, সোঁদা ঘাসে পেতেছি মাদুর ...

সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!

সন্ধ্যার মেঘের রঙ অন্ধকার হলে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সন্ধ্যার মেঘের রঙ অন্ধকার হলে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] ঠিক সন্ধে নামার মুখে, শোনো পান্থ'র বই ডাকে!


[
আজ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ শেষবেলায়, সন্ধ্যার মেঘের রঙ যখন একটু অন্ধকার হয়ে আসবে, তখন বাংলা একাডেমি অমর একুশে বইমেলায় আসবে সবল সচল গল্পকার পান্থ রহমান রেজা'র প্রথম গদ্য সংকলন "সন্ধ্যার মেঘের রঙ অন্ধকার হলে" অর্থাত্, আজ সন্ধ্যা থেকেই মেলার বাকিটা সময়ে এ বইটা পাওয়া যাবে বাতিঘর প্রকাশনী'র স্টলে স্টল নং ২০০নবীন গল্পকারের ব্যাপক ইতিহাসের অংশ হোন আপনিও, এই বইঘর বা মেলা অন্ধকার হওয়ার আগেই।]