“আমার নামের উচ্চারণটা আদতে কঠিনই একটু। খটমটই ছিল, কিন্তু আমি এতই মুখে মুখে ফিরি আমার জন্মের পর থেকেই, যে খুব সহজ আর মাউথেবল-ই হয়ে গ্যাছে এই ‘ক্যান্সার’ শব্দটা অ্যাতোদিনে! বিজ্ঞানী আর চিকিত্সকরা আমাকে এই রেজিস্টারি নামেই ডাকেন যদিও, এই অঞ্চলে জ্ঞান-বইয়ের বাইরের আলোচনায় সমঝদার-রসিক-অনুরাগী মানুষেরা অন্য একটা নরম ডাকনামও দিয়েছেন আমার- ‘কর্কট’! আমি বাবা কর্কট-মকর বুঝি না, বুঝি না আমাকে নিয়ে মানুষ কতোটা কষ্ট পায় আর অসহায় জেদি হয়! এসব বুঝলে আমার চলবে না। আমি শুধু
ধুলো ঝেড়ে, সোঁদা ঘাসে পেতেছি মাদুর ...
সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!
সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!
ক্যান্সার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ক্যান্সার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০১০
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)