"কোলকাতার মেয়েরা, বাংলাদেশের ছেলেদেরকে খুব পছন্দ করে! তুমি গেলে দেখবে-- ওরা কয়েকজন হেঁটে যাওয়ার সময়, এক সখীর গায়ে ঠেস দিয়ে অন্য সখী বলবে-- 'দ্যাখ্ দ্যাখ্, বাংলাদেশের ছেলে, বাঘের বাচ্চা একটা!' আর, যদি শোনে-- তুমি নটর ডেম কলেজের ছাত্র, তাহ'লে তো তোমার সামনে বেচ্যায়েন হয়ে চিত হয়ে শুয়ে পড়বে!"
ধুলো ঝেড়ে, সোঁদা ঘাসে পেতেছি মাদুর ...
সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!
সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!
আত্মজীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আত্মজীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১১
শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১১
[পূর্বপ্রকাশিত] জীবন: প্রবাহ-প্যাঁচ-পয়জার
একেকটা দিন আসে অনেক প্রবল প্রখর আওয়াজ দিয়ে-- শয্যাপাশের জান্লা দিয়ে আততায়ী আলো ছুঁড়ে, সেলফোনের তীক্ষ্ণ নাছোড় জাগরঘণ্টা বাজিয়ে। কিন্তু জীবন থেকে আরো চব্বিশ ঘণ্টাটি কিংবা ক্যালেন্ডার থেকে আরেক তারিখটা মুছে যাওয়ার সময়, রাতটা একটু কিছু ব'লে পর্যন্ত যায় না। চিত-কাতের মধ্যেই জানি না কখন অচেতন হই দরকারি আপদের অভ্যস্ত ভরসায়-- দিন এসে ঠিকই আবার টেনে-হিঁচড়ে উঠিয়ে নেবে কাজের পথে। "বয়স বাড়ে, আমি বাড়ি না"র পুরোনো ফাঁপরেই হাতড়ে চলা, চালিত হওয়া না-দেখা ইশারায় কিংবা প্রকৃতির মনোহীন অমোঘ অনির্দিষ্টতায়।
লেবেলসমূহ:
আত্মজীবনী,
জীবন,
দিনপঞ্জি,
প্যাঁচ-পয়জার
বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১০
[হিজরতপূর্ব] লেখাখেলা ... ০২
লেখাখেলা ... ০২
কিচিরমিচির ডাকে পাখি,
সকলেরই খোলে আঁখি।
পাখির গানের জন্য,
ফেলে রেখে যাই আমি
থালায় রাখা অন্ন।
... ... ... ... ... ...
সকলেরই খোলে আঁখি।
পাখির গানের জন্য,
ফেলে রেখে যাই আমি
থালায় রাখা অন্ন।
... ... ... ... ... ...
ডট্ডট্-গুলো কোনোভাবেই আরো বেশি হাস্যকর বোকা বোকা পংক্তি হওয়ার কারণে কাঁচিকাটা না কিন্তু! সত্যিই এই দ্বিতীয় কচিকাঁচা কবি-তার শুধু এই পাঁচটা চরণই মাথায় আছে আমার, বাকিটা সময় খেয়ে নিয়েছে দীর্ঘ বিরতির তীব্র ক্ষুধায়।
[হিজরতপূর্ব] লেখাখেলা ... ০১
আমার লেখাই তেমন পড়ে না লোকে, তার মধ্যে আবার বলে পড়বে সেই লেখা নিয়ে লেখা! নিজের লেখালিখির গল্প মানুষ করে শরীর আর লেখনী দুই-ই যথেষ্ট বয়োজ্যেষ্ঠ হ'লে। আমি এখনও এমন কোনোকিছুই ক'রে দেখাইনি বা লিখে পড়াইনি, আরো ঠিক জায়গায় গিয়ে বললে আমি আসোলেই এমন কোনোকিছু হয়েই উঠিনি, কিলিয়ে বা পুড়িয়ে এমন কিছুই পাকাইওনি, যে আমার হয়ে ওঠার গল্প, বা আরো নির্দিষ্ট ক'রে আমার লেখার গল্প মানুষ বা পাঠকের চোখে তেমন রুচবে। হ্যাঁ, এটাও এমন কোনো তথ্য না, যা আপনার জানাবোঝা ছিলো না বা যা আমি বিশেষ জাদুকরি নৈপূণ্যে আপনাদের সামনে এইমাত্র উন্মোচন করলাম! হুম্, এই অংশটা ডিসক্লোজার না, অবশ্যই ডিসক্লেইমার।
লেবেলসমূহ:
আত্মজীবনী,
এম্নিএম্নিলিখি,
ব্লগরব্লগর,
লেখালিখি,
স্মৃতিচারণ
রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১০
[হিজরতপূর্ব] একপংক্তিকা -দুই
চাকর! চা কর!!
[একে তো বেশি কম শব্দে পোস্ট হয়ই না এখানে, তার ওপর আবার সিঙ্গেল লাইন পোস্টের ব্যাপারে কথা যখন উঠেছিল, তখন তেমন কোনো সুনির্দিষ্ট নীতির আভাস পাওয়া যায়নি মডুগণের কারো কাছ থেকে। সর্বোপরি এমন নৈমিত্তিক (জানি না- এই শব্দে 'ক্যাজুয়াল'এর পুরো অর্থ পাওয়া যায় কি না) কথায় পোস্ট বানানো বাতুলতাও মনে হ'তে পারে অনেকের কাছেই। এসব মিলিয়ে নিয়ে। আর, মডারেটরদের কাছে এখান থেকে মডারেশনের জন্য পাঠালে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে কি না (হঠাত্ ভুলক্রমে হয়েছে ব'লেও মনে হ'তে পারে!)- সে-বিষয়েও কেন যেন দ্বিধা লাগছে একটু! তাই, সেটা না ক'রেই এই মুচলেকা-সমেত পোস্ট দিচ্ছি,- যদি মডারেটর কেউ এটাকে অযোগ্য মনে করেন বা নিরুত্সাহিতও করতে ইচ্ছা করেন এরকম অপ্রতুলতা, তবে আমাকে একটু টোকা দিয়ে পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে শুধু আমার ব্লগে ঠেঁকিয়ে দিলেও অনুযোগ থাকবে না কোনো। আর, এই এতক্ষণের বলাবলিটাই যদি বাতুলতা বা আদিখ্যেতা হয়ে থাকে বরং, তবে তো আর কিছু বলার বা করার নেই, তবে তো ঠিকই আছে, অন্তত বিষয়টা সম্পর্কে পরিষ্কার তো হওয়া যাবে।
আর, অফিসে সকালবেলার বাস্তবতায় এই একপংক্তিকা মাথায় এলেও 'চাকর' শব্দটাকে সাহিত্য-খাতিরে দেখার অনুরোধ রইলো। এটাকে আপত্তিকর হিসেবে নেবেন না কেউ- এই আশাই থাকলো। আমাদের অফিসে যারা চা করে, তাদেরকে 'চাকর' ডাকি না আমরা- তা তো বুঝতেই পারেন।]
আর, অফিসে সকালবেলার বাস্তবতায় এই একপংক্তিকা মাথায় এলেও 'চাকর' শব্দটাকে সাহিত্য-খাতিরে দেখার অনুরোধ রইলো। এটাকে আপত্তিকর হিসেবে নেবেন না কেউ- এই আশাই থাকলো। আমাদের অফিসে যারা চা করে, তাদেরকে 'চাকর' ডাকি না আমরা- তা তো বুঝতেই পারেন।]
লেবেলসমূহ:
আত্মজীবনী,
একপংক্তিকা,
চা,
সিঙ্গেল লাইন
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
