ধুলো ঝেড়ে, সোঁদা ঘাসে পেতেছি মাদুর ...

সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!

দিনপঞ্জি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দিনপঞ্জি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১১

[পূর্বপ্রকাশিত] কলজে-তে যেই কলেজেরই এক ছাপ নিয়ে দিই পথপাড়ি

"কোলকাতার মেয়েরা, বাংলাদেশের ছেলেদেরকে খুব পছন্দ করে! তুমি গেলে দেখবে-- ওরা কয়েকজন হেঁটে যাওয়ার সময়, এক সখীর গায়ে ঠেস দিয়ে অন্য সখী বলবে-- 'দ্যাখ্ দ্যাখ্, বাংলাদেশের ছেলে, বাঘের বাচ্চা একটা!' আর, যদি শোনে-- তুমি নটর ডেম কলেজের ছাত্র, তাহ'লে তো তোমার সামনে বেচ্যায়েন হয়ে চিত হয়ে শুয়ে পড়বে!"

শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১১

[পূর্বপ্রকাশিত] জীবন: প্রবাহ-প্যাঁচ-পয়জার



একেকটা দিন আসে অনেক প্রবল প্রখর আওয়াজ দিয়ে-- শয্যাপাশের জান্লা দিয়ে আততায়ী আলো ছুঁড়ে, সেলফোনের তীক্ষ্ণ নাছোড় জাগরঘণ্টা বাজিয়ে। কিন্তু জীবন থেকে আরো চব্বিশ ঘণ্টাটি কিংবা ক্যালেন্ডার থেকে আরেক তারিখটা মুছে যাওয়ার সময়, রাতটা একটু কিছু ব'লে পর্যন্ত যায় না। চিত-কাতের মধ্যেই জানি না কখন অচেতন হই দরকারি আপদের অভ্যস্ত ভরসায়-- দিন এসে ঠিকই আবার টেনে-হিঁচড়ে উঠিয়ে নেবে কাজের পথে। "বয়স বাড়ে, আমি বাড়ি না"র পুরোনো ফাঁপরেই হাতড়ে চলা, চালিত হওয়া না-দেখা ইশারায় কিংবা প্রকৃতির মনোহীন অমোঘ অনির্দিষ্টতায়।

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] লেখাখেলা ... ০২


লেখাখেলা ... ০২

কিচিরমিচির ডাকে পাখি,
সকলেরই খোলে আঁখি
পাখির গানের জন্য,
ফেলে রেখে যাই আমি
থালায় রাখা অন্ন
... ... ... ... ... ...

ডট্ডট্-গুলো কোনোভাবেই আরো বেশি হাস্যকর বোকা বোকা পংক্তি হওয়ার কারণে কাঁচিকাটা না কিন্তু! সত্যিই এই দ্বিতীয় কচিকাঁচা কবি-তার শুধু এই পাঁচটা চরণই মাথায় আছে আমার, বাকিটা সময় খেয়ে নিয়েছে দীর্ঘ বিরতির তীব্র ক্ষুধায় 

[হিজরতপূর্ব] চর্চাপদ ০৮

১.
কর্মের শুদ্ধ সঠিক মান নির্ণয় এমনিতেই দুস্কর, তাও আবার নিজ কর্মের বেলায় এই মূল্যায়নের চেষ্টা তো রীতিমতো তস্করের সাধনার মতোই নিচু কাজ! তবে, পরিমাণে আমার কর্ম মোটামুটি বহুদিকে বহুতবু আমি ঠিক কর্মী নইতারচে' বেশি বরং কর্মক্লান্তঘর্মসিক্ত হয়ে গরমের চরমভাব থেকে পালাতে যাই, শীত খুঁজতে ধাই, কম্বলে মুখ গুঁজতে চাইশীত জুটুক আর না জুটুক, আমি ঘুমন্ত! আমার মতো ঘনঘন শীতনিদ্রা বোধ করি খুব কম মানুষই চাষ করেছে নিজের মূল্যবান জীবনেএকমাত্র জীবনের কতো কতো 'সম্ভাবনা'কে যে আমি ঘুমের ঘোরে পায়ে নেড়ে ভেঙে দিয়ে 'সম্ভব না' 'রে দিয়েছি, সেই হিসেবও পাইপাই করতে চাইলে তার জন্যই আসোলে আর একটা পৃথক জীবন চাই!

[হিজরতপূর্ব] চর্চাপদ ০৭

১. হোয়াট'স সো 'গুড' অ্যাবাউট 'বাই'?!

অক্টোবরের ১৮-তে লন্ডনে বউয়ের কাছে চ'লে গ্যালো এক তুলনামূলক দীর্ঘকালের তুলনামূলক ভালো বন্ধুবেশ ক'বছরের জন্যই গ্যালো

ঘর-পরিবার ছেড়ে আমার একলা হয়ে যাওয়ার প্রাচীন প্রকল্পে, সেই ২০০৬ সালে, প্রথম ধাপ হিসেবে যে দুই অনুজপ্রতিম সহদল নাট্যবন্ধুর সঙ্গে উঠেছিলাম 'অন্যপুর' নাম দিয়ে একটা অন্য ফ্ল্যাটের অন্যরকম জীবনে, সে ছিল সেই দু'জনেরই একজনসে-বছরেরই শেষের দিকে নাট্যদলটা ছেড়ে দিলাম লিখিতভাবে মন-মেজাজ খারাপ ক'রে, কিন্তু সে-বন্ধুরা তারপরও ছিল আমার সাথেদলে একদিকে আমাকে 'ষড়যন্ত্রী' আখ্যা দেয়া হ'লো এবং কিছুদিনের মধ্যেই তার ফল হিসেবে ওই দু'জনেরও ঈমানের পোক্ততার বিষয়ে সন্দেহ উঠলো, আর সেই একই সুতোয় আমাদের সেই রামপুরা''অন্যপুর'টাকে চিহ্নিত করা হ'লো সকল নষ্টের উত্সস্থল হিসেবে'অন্যপুর''বাড়তি' ঘরটা থেকে স'রে গ্যালো, যতোটা না স'রে গ্যালো ততোটা আসোলে আমিই সরিয়ে দিলাম, দলের নাটকের বিস্তর মঞ্চ-সরঞ্জামআমি অন্যদিকে এই বিষয়েও শিক্ষিত হ'লাম, যে- বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য মৌলশর্তের মধ্যে টাকা ধার না-দেয়ার সাথে সাথে একসাথে এক বাসায় না-থাকাটাও পড়ে

রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] চর্চাপদ ০৬

-১. ধন্যবাদ প্রস্তাব
লিখতে ঢুকেই খেয়ালরসের বাবা, আর রক্তসম্পর্কে আধুনিক বাংলা চলচ্চিত্রের দাদাস্থানীয়, বহুমুখী সমবায় সমিতি প্রতিভা সুকুমার রায়বাবু'র ওপর ব্যানার দেখে অনেক ভালো লাগছেজয় গুরু!
আর, সচল-মডারেটরদেরকে (বিশেষ ক'রে হিমুকে) তেলছাড়া তাওয়ায়-ভাজা পাঁচটা সাধুবাদ এবং ধন্যবাদ

০. ভনিতা/কৈফিয়ত
শুনতে কারো কাছে অতিআদর্শবাদী, অতিশুদ্ধবাদী, আদিখ্যেতা এমনকি ন্যাকামোও মনে 'তে পারে,

[হিজরতপূর্ব] চর্চাপদ ০৫

আর থার্সডে নাইট!

'বৃহস্পতিবার'! উচ্চারণ করতেই কেমন বড় বড়! বলছেই 'বৃহস্পতি'! তো, বড় তো হবেই, না? বিজ্ঞাপনের কাজের অফিসে বৃহস্পতিবার বিকাল-টা কখনই ছুটির ডাক না সেভাবে, কারণ পরের দুইদিন বন্ধ ব'লে বৃহস্পতিবারেই থাকে সর্বোচ্চ পজিটিভ-আউটপুট ('ইতিবাচক' আর 'ফলাফল' অর্থে না, প্রেসের স্ট্রিক্ট টার্মে 'পজিটিভ' আর 'আউটপুট'!) দেয়ার ভয়াবহ তাড়া! ক্লায়েন্ট মাত্রই চায় বৃহস্পতিবারে ক্রিয়েটিভ জিনিসের আইডিয়েশন বা ডিজাইন-লেআউট অ্যাপ্রুভ ক'রে দিয়েই রবিবারের ফাইন-মর্নিংয়ে লম্বা সহবাস-ঘুমের উঁচু হাইয়ের সাথে, হাইক্লাস চায়ের সাথে প্রডাকশন দেখবে আর মতামত োদাবে! মানে, শুক্র-শনির দিনগুলোয় যখন তারা সপরিবারে ফ্যান্টাসি কিংডমে হাট্টিমাটিমটিম করতে করতে সুখের ডিম পাড়বে, তখন তাদের রবিবারের ফাইন-মর্নিং আর গুড-ডে নিশ্চিত করতে আমাদের থাকতে হবে অ্যাডমেকারস আর প্রিন্টারসের সাথে কখনও সশরীরে কখনও অন্তত ফোনে লেগে- ঠেলাধাক্কায়, টানাপোড়েনে, আর তাগাদার পর তাগাদায়আর এই শুক্র-শনিতে ক্লায়েন্টকে যেহেতু পাওয়া যাবে না বা যাতে শুক্র-শনিতে ক্লায়েন্টের আরামের মধ্যে বিরক্ত না করতে হয়- সেই কারণে, ক্লায়েন্ট সদয় হয়ে ঘাড়ের ওপর থাকতে থাকতে যা পারো অ্যাপ্রুভ করাও, তারপরে যদি পারো যতো পারো মুড়ি খাইও।

মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] কবি-তা ০৯, অথবা চর্চাপদ ০৪

আবর্তন, কিবা প্রত্যাবর্তন!
কিছুরই ফল কিছু নেই-
কিচ্ছুটি এসে যায় না,
যেমন কিনা নির্বাসনেরও
ঘুণাক্ষরে ছিল না আর কোনো মানে।
কারোরই এইসবে

[হিজরতপূর্ব] চর্চাপদ ০৩

“বন্ধু আমার মন ভালো নেই, তোমার কি মন ভালো?”
বন্ধু আমি অধম, তবুও তুমি থেকো ভালো আলো!

ঘুমে নেমেছিলাম বেশ দেরিতেই, ছুটির পূর্বরাতের আশ্কারায়। তাই সেখান থেকে উঠবার জন্যও নিজের শরীরকে অনেক লম্বা সময়ই বরাদ্দ করেছিলাম নিজেরই মনের সহৃদয়তায়। সকালোদ্দিষ্ট বকেয়া রুটি-মামলেট দিয়েই ভরদুপুরে মুখ বুজে সারলাম লাঞ্চলেট! পরদুপুরের কুক্ষণে হঠাত্ ভেবে ফেলেছিলাম বন্ধুক’জনের একটু খবর নিই, যাদের মুখ আর নামগুলো

[হিজরতপূর্ব] চর্চাপদ ০২

[ডিসক্লেইমার: পুরোপুরি ব্যক্তিবদ্ধ না হলেও, এ শিরোনামের অধীনে যা আসবে টাসবে, তা আমার ব্যক্তিকেন্দ্রিক বটে! সবাই মজা পাবেন পড়ে- এমন দুরাশা করিওনে। আবার, তাই বলে সবাই গালমন্দ করবেন- অতোটা দুর্দশাও নিই না আশঙ্কায়। খুব নিয়মিত এ উত্পাতের ফুরসত বা দুর্মতি কোনোটাই আমার হবে না বলেই আশা। মাঝেমধ্যে সহব্লগারের প্যাচালি একটু সহ্য করে নেবেন জানি।]

০.

পড়ার পাড়ায় পাড়তে এলুম পুরোনো সেই কিচ্ছেটাই-

[হিজরতপূর্ব] চর্চাপদ ০১

[ডিসক্লেইমার: পুরোপুরি ব্যক্তিবদ্ধ না হলেও, এ শিরোনামের অধীনে যা আসবে টাসবে, তা আমার ব্যক্তিকেন্দ্রিক বটে! সবাই মজা পাবেন পড়ে- এমন দুরাশা করিওনে। আবার, তাই বলে সবাই গালমন্দ করবেন- অতোটা দুর্দশাও নিই না আশঙ্কায়। খুব নিয়মিত এ উত্পাতের ফুরসত বা দুর্মতি কোনোটাই আমার হবে না বলেই আশা। মাঝেমধ্যে সহব্লগারের প্যাচালি একটু সহ্য করে নেবেন জানি।]

F1 না চেপে, বরং আমার F5-ই ভালো!

অফিসে প্রায় সারাটা দিন চলে গ্যালো কোনো কাজ ছাড়া, মানে বলতে গেলে

[হিজরতপূর্ব] এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি!

স্বপ্নের মতোই হুট ক’রে ঘটলো ব্যাপারটা, একটা ঘোট-পাকানো অন্ধকারের গভীরে। না কি দুঃস্বপ্ন! কিংবা, দুঃস্বপ্নই হয়তো ঠিকঠাক স্বপ্ন, আর সুস্বপ্ন বা সুখস্বপ্ন হিসেবে যা দেখি বা ভাবি, সেগুলোর সবই বুঝি কেবল স্বপ্নদোষ!

যেই দেশে আমাদের মতো কিছু বোকা মানুষ নূন-আনতে-পানতা-ফুরায় না হয়েও অপব্যয়ীও নই, হিসেব ক’ষে চলি, উপরন্তু কষ্টে টাকা রোজগার ক’রেও দেশ-রোজগারী বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য যার যার সামর্থ্যমতো যুদ্ধে লড়ি, ল’ড়ে মরি, সেই দেশেরই সত্যিকারের সোনার ছেলেরা

সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] বারেবার বারো! :(

বাসা থেকে বেরিয়ে বারোপ্রস্থ সিঁড়ি বেয়ে নেমে বারোটা খালি রিকশা দেখেও একটাকেও না জিজ্ঞেস ক'রে (যেহেতু ওরা কোথাও যায় না!) বারো মিনিট হেঁটে বাস কাউন্টারে পৌঁছে বারো টাকার টিকিট কেটে অফিসের বারোটা কাজের চিন্তা মাথায় (যেন!)বারো ঘণ্টা অপেক্ষার পর বারো'রই উল্টো সংখ্যা একুশে'র বাসে উঠে বারো রকম মানুষের বারোশ' রকম প্যাঁচালি শুনতে শুনতে

[হিজরতপূর্ব] কবি-তা ০১: আবার নষ্ট পাওয়া, হারানো ছুটির নস্টালজিয়ায়! :(

আমার . . . সাদাকালো বেকার দুপুর মেঝেয় গড়াগড়ি-
এমন . . . . অলস ক্ষণেই মনের ভেতর বাড়ে বাড়াবাড়ি!