নিজের "গ্লোবালাইজেশন" নামক দ্বিপদ কবিতায় সে লিখেছিল-
যদিও বাংলাদেশে হয় তার হিসু
মেড ইন ফ্রান্স তার টয়লেট টিস্যু!
তার অভিষেক বইয়ের ফ্ল্যাপ-জয়ঢাকে বিশ্বজিত্ ঘোষ স্যার (বাংলা বিভাগ, ঢা.বি.) প্রথম বাক্যেই তাকে প্রধানত চিহ্নিত করেছিলেন বিশ্বায়ন যুগের কবি হিসেবে। ঢা.বি.'র ইংরেজিশিক্ষিত [স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর] এই ভদ্রলোকের বিচরণ বিশ্বসাহিত্যে নিতান্ত কম নয়- সেটা এখানকার অনেকেই জানেন। ব্লগে দিনকেদিন তার করা বিদেশী কবিতার অনুবাদে তার ওরকম একটা ব্র্যান্ড ইমেজও পাওয়া গ্যাছে বেশ আগেই। গত একুশে বইমেলা'য় বের হওয়া তার দ্বিতীয় কবিতা-বইটিও "অনুবাদ কবিতা"। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, আর না-ধ'রে থাকলে এখনই ধরেন, সেই "কষ্টালজিয়া"র কবি মূর্তালা রামাত'র কথাই বলা হচ্ছে। বিশ্বায়ন খালি তার কাব্যচর্চায় না, এখন বসবাসেও। উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে (এবং আমার চোখে উচ্চজীবনের জন্যও) নিজেই এখন প্রবাসী (বা আমার চোখে বিশ্বায়িত) হয়েছে সে। "মেড-ইন"-এর সময়ও পেরিয়ে সে এখন সশরীরে, এমনকি সস্ত্রীশরীরে অস্ট্রেলিয়া'র সিডনি-তে অবস্থান করছে, আর ব্যস্ততায় একটু একটু ক'রে ডোজ কমিয়ে আমাদেরকে ভুলে যাচ্ছে।
[আর, আমার ব্যক্তি-কপাল-টা তো আরো খারাপ, মূর্তালা বেশ কয়বার আমাকে ওই দূরদেশ থেকে ফোন করেছে এর মধ্যে, কিন্তু একবারও ঠিকঠাক কথা বলতে পারিনি, কারণ ওই প্রতিটা সময় আমি অফিসে ভয়ানক লাস্ট-মিনিট-হারি'র উপরে ছিলাম!]
যদিও বাংলাদেশে হয় তার হিসু
মেড ইন ফ্রান্স তার টয়লেট টিস্যু!
তার অভিষেক বইয়ের ফ্ল্যাপ-জয়ঢাকে বিশ্বজিত্ ঘোষ স্যার (বাংলা বিভাগ, ঢা.বি.) প্রথম বাক্যেই তাকে প্রধানত চিহ্নিত করেছিলেন বিশ্বায়ন যুগের কবি হিসেবে। ঢা.বি.'র ইংরেজিশিক্ষিত [স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর] এই ভদ্রলোকের বিচরণ বিশ্বসাহিত্যে নিতান্ত কম নয়- সেটা এখানকার অনেকেই জানেন। ব্লগে দিনকেদিন তার করা বিদেশী কবিতার অনুবাদে তার ওরকম একটা ব্র্যান্ড ইমেজও পাওয়া গ্যাছে বেশ আগেই। গত একুশে বইমেলা'য় বের হওয়া তার দ্বিতীয় কবিতা-বইটিও "অনুবাদ কবিতা"। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, আর না-ধ'রে থাকলে এখনই ধরেন, সেই "কষ্টালজিয়া"র কবি মূর্তালা রামাত'র কথাই বলা হচ্ছে। বিশ্বায়ন খালি তার কাব্যচর্চায় না, এখন বসবাসেও। উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে (এবং আমার চোখে উচ্চজীবনের জন্যও) নিজেই এখন প্রবাসী (বা আমার চোখে বিশ্বায়িত) হয়েছে সে। "মেড-ইন"-এর সময়ও পেরিয়ে সে এখন সশরীরে, এমনকি সস্ত্রীশরীরে অস্ট্রেলিয়া'র সিডনি-তে অবস্থান করছে, আর ব্যস্ততায় একটু একটু ক'রে ডোজ কমিয়ে আমাদেরকে ভুলে যাচ্ছে।
[আর, আমার ব্যক্তি-কপাল-টা তো আরো খারাপ, মূর্তালা বেশ কয়বার আমাকে ওই দূরদেশ থেকে ফোন করেছে এর মধ্যে, কিন্তু একবারও ঠিকঠাক কথা বলতে পারিনি, কারণ ওই প্রতিটা সময় আমি অফিসে ভয়ানক লাস্ট-মিনিট-হারি'র উপরে ছিলাম!]