ধুলো ঝেড়ে, সোঁদা ঘাসে পেতেছি মাদুর ...

সৌজন্যের অভ্যাস আর শান্তিতে বিশ্বাস থাকলে যেকোনো মহল্লার যেকোনো প্রাপ্তমনস্ক ছেলে বা মেয়েই এই মাঠে খেলতে পারবে। খেলার ডাক না দিতে পারলেও অংশগ্রহণের জন্য আসতে কারো জন্য কোনো বাধা-নিষেধ বা রেষারেষি নেই। হোক খেলা, তবু সব খেলারও তো কিছু নিয়মনীতি আছে, তাই না? স্বাধীনতার একটা যমজ ভাই আছে, নাম দায়িত্ব। সেমতে, নীতির ওপর আস্থা রাখা গেলে নিয়মের ভার নিশ্চয়ই বেশি একটা কঠিন হবে না। আর, প্রয়োজনে কখনো বল/ব্যাট/গার্ডার/গ্লভস জাতীয় জিনিসপত্তর খেলোয়াড়ের নিজের ঘর বা গাঁট থেকে নিয়ে আসতে হ'তে পারে। তবে, সুঁই-আলপিন-ছুরি-চাকু-ইট-পাথর-ডাণ্ডা বহন ভীষণভাবে নিষিদ্ধ!

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১০

[হিজরতপূর্ব] শো, ময়না!

কতো কাল আমি ভোর দেখি না!
কতো কাল কাকের ভোরে
ওরকম আর ডাক শুনি না!
সন্ধে তবু পথে পড়ে মাঝে-সাঝে,
রাতের ঘন মালার ঘেরে, ঘোরে,
ভুলে গেছি গোনা-
কতো যুগ যুগ আমি আর ভোর দেখি না!

[হিজরতপূর্ব] অ্যাবসার্ড এইসব ব্লগরিতা

-: কী চাই?
:- সুখী হ'তে?
-: কী চাই সুখী হ'তে?
:- কী চাও?
-: সুখী হ'তে!
:- আর?

[হিজরতপূর্ব] প্রতুল মুখোপাধ্যায় আশা করি আমাকে ক্ষমাই করবেন, কপিরাইট অফিসে যাবেন না।

আমি বাংলায় গান গাই,
আমি বাংলার গান গাই,
আমি বেনিয়া আমাকে চিরদিন এই
বাংলায় খুঁজে পাই

[হিজরতপূর্ব] কবি-তা ১৫: বি-রতির এইপারে

তোর ঘাড়ের ওই
ঘন নোনা ঘামের থেকে-
হু হু ঝেঁপে
নাকে পশে কামের ঘেরাণ!
খুব যে আমার অভ্যস্ত ওটা,
বা পরিচিত-চেনা-
তেমনটি নয় বস্তুত

[হিজরতপূর্ব] লেখাখেলা ... ০২


লেখাখেলা ... ০২

কিচিরমিচির ডাকে পাখি,
সকলেরই খোলে আঁখি
পাখির গানের জন্য,
ফেলে রেখে যাই আমি
থালায় রাখা অন্ন
... ... ... ... ... ...

ডট্ডট্-গুলো কোনোভাবেই আরো বেশি হাস্যকর বোকা বোকা পংক্তি হওয়ার কারণে কাঁচিকাটা না কিন্তু! সত্যিই এই দ্বিতীয় কচিকাঁচা কবি-তার শুধু এই পাঁচটা চরণই মাথায় আছে আমার, বাকিটা সময় খেয়ে নিয়েছে দীর্ঘ বিরতির তীব্র ক্ষুধায়